নালিতাবাড়ী পৌরসভা নির্বাচন : দলীয় মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র প্রার্থীদের শোডাউন

দ্বারা hello@anbnews24.com
নির্বাচন কমিশনের ঘোষণানুযায়ী চলতি বছর ডিসেম্বর মাসে নালিতাবাড়ী পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । সামনে মাত্র তিন মাস বাকী থাকলেও এখনও প্রার্থী ও ভোটাররা নিশ্চিত হতে পারছেনা  আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীক কে কে পাচ্ছে ? তাই দলীয় মনোনয়ন পেতে পৌর শহরে শোডাউন ও গণসংযোগ করে যাচ্ছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী । বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক  বিগত সময়ের দুইজন মেয়রের সময়কালের চেয়ে শহর উন্নয়নে ও পৌর ভবন নির্মাণে ভোটারদের দৃষ্টি নিজের দিকে রাখলেও দ্বিধায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নের ব্যাপারে । বিগত উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী মোকছেদুর রহমান লেবুর নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন । উপজেলা চেয়ারম্যান সঙ্গত কারণেই তার পক্ষে নির্বাচনে কাজ করলেও দলীয় নেতৃবৃন্দের একটি অংশ তারপ্রতি নাখুশ রয়েছেন। বিগত ৫ বছর মেয়র হিসেবে কাজ করে তার পক্ষে বেশ জনমত গঠন করেছেন। তাই দলীয় মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে শক্তিশালী একজন প্রার্থী হবেন সচেতন মহলে এ রকম ধারনা বিদ্য

নির্বাচন কমিশনের ঘোষণানুযায়ী চলতি বছর ডিসেম্বর মাসে নালিতাবাড়ী পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে । সামনে মাত্র তিন মাস বাকী থাকলেও এখনও প্রার্থী ও ভোটাররা নিশ্চিত হতে পারছেনা  আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন বা প্রতীক কে কে পাচ্ছে ? তাই দলীয় মনোনয়ন পেতে পৌর শহরে শোডাউন ও গণসংযোগ করে যাচ্ছে আওয়ামীলীগ ও বিএনপি’র একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী ।

বর্তমান মেয়র আলহাজ্ব আবু বক্কর সিদ্দিক  বিগত সময়ের দুইজন মেয়রের সময়কালের চেয়ে শহর উন্নয়নে ও পৌর ভবন নির্মাণে ভোটারদের দৃষ্টি নিজের দিকে রাখলেও দ্বিধায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনয়নের ব্যাপারে । বিগত উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী মোকছেদুর রহমান লেবুর নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছেন । উপজেলা চেয়ারম্যান সঙ্গত কারণেই তার পক্ষে নির্বাচনে কাজ করলেও দলীয় নেতৃবৃন্দের একটি অংশ তারপ্রতি নাখুশ রয়েছেন। বিগত ৫ বছর মেয়র হিসেবে কাজ করে তার পক্ষে বেশ জনমত গঠন করেছেন। তাই দলীয় মনোনয়ন না পেলেও নির্বাচনে শক্তিশালী একজন প্রার্থী হবেন সচেতন মহলে এ রকম ধারনা বিদ্যমান ।

সাবেক মেয়র আনোয়ার হোসন আওয়ামী সরকারের সময় কালে ৫ বছর মেয়র ছিলেন, বিগত নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়নে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করে নৌকার সাথে হেরে গেছেন । বিরোধী দলের মেয়র হিসেবে  উন্নয়নে তেমন সারা জাগাতে না পারলেও মেয়ের হিসেবে পৌর কমিউনিটির সাথে সম্পর্ক ছিল নিবির ও গভীর । বিএনপির দলীয় মনোনয়ন তিনিই পাচ্ছেন বলে মনে করেন এবং ধারনা করেন তিনি এবার নির্বাচিত হবেন । সচেতন মহলের ধারণা একটু ভিন্ন , স্থানীয় এমপি তথা সরকারের বিরোধী কেউ মেয়র হলে উন্নয়নে ব্যাপক বাধার সৃষ্টি হয়। তাই সরকারদলীয় ও স্থানীয় এমপির পক্ষের প্রার্থী অর্থাৎ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীই নির্বাচিত হবে ।

আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাবেন বলে মনে করেন সাবেক ছাত্রলীগ সভাপতি যুবলীগের আহবায়ক বাস ট্রাক মালিক সমিতির নেতা আলহাজ্ব জাহাঙ্গির আলম। দলীয় সমর্থন তার পক্ষে রয়েছে। তাই তিনি পৌরসভা নির্বাচন কে কেন্দ্র করে করোনাকালীণ সময় থেকে পৌরসভার হতদরিদ্র মানুষের পাশে ছিলেন । বর্তমানে গণসংযোগ, ভোটারদের বাড়ি-বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা সহ প্রচার-প্রচারণা অব্যাহত রেখেছেন । ৮ সেপ্টেম্বর পৌর  শহরের ব্যবসায়ীদের সাথে হেটেহেটে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে দোয়া চেয়েছেন এবং ৯ সেপ্টেম্বর শহরে  তার পক্ষে সমর্থন জানিয়ে বিশাল শোডাউন করেন পৌর নাগরিক বৃন্দ ।

একই মহল্লার আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য  বিষয়ক সম্পাদক মোকলেছুর রহমান (আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী) তার পক্ষে জনমত গঠনে শো-ডাউন করেন ।

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল লতিফ দলীয় মনোনয়ন চেয়ে পোষ্টার ফেস্টুন ও গণসংযোগ করে যাচ্ছেন ।

বঙ্গবন্ধু ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি তাইবুর রহমান রুবেল পৌর নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন চেয়ে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

সাবেক মেয়র আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি প্রয়াত আব্দুল হালিম উকিলের অনুজ হাবিবুর রহমান দিপু ( শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি) দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী পোষ্টার বিলবোর্ড স্থাপন ও গণ সংযোগ করে যাচ্ছেন ।

বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক কৃষিবীদ বদিউজ্জামান বাদশার পূর্ণ সমর্থন নিয়ে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।

জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র যুবদলের নেতা গোলাম কিবরিয়া মাকসিম মনে করেন দলীয় মনোনয়ন এবার তারই হচ্ছে । দলের বিশেষ একটি অংশ তার সর্মথনে রয়েছেন । যুব দলের এই নেতা এর আগে থেকেই ভোটারদের বাড়িবাড়ি ভোট প্রার্থনা সহ দলের কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে বিএনপির রাজনীতিকে চাঙ্গা করা সহ পৌর নির্বাচনে নিজের অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে কাজ শুরু করেন। পোষ্টার,ব্যানার, বিলর্বোড স্থাপন করে বিএনপি’র একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেছেন ।সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পৌরশহরে তার সর্মথনে দলীয় লোকজন,কর্মী ও সমর্থকগণ একটি বিশাল শো-ডাউন করেন।

পৌরসভার সু-পরিচিত সরকার বাড়ির এই প্রার্থীর পাশাপাশি একই বাড়ির হাজী মামুন (আলহাজ্ব শামছুল আলম সওদাগরের ছোট ভাই ) স্থানীয় ফেইসবুক পেইজ লাইভ শো’তে মেয়র পদের  দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে জানান । শামছুল আলম দু’বার পৌর নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন ।

প্রভাষক নজরুল  ইসলাম স্থানীয় ফেইস বুক পেইজ লাইভ শো’ তে মেয়র পদে আওয়ামীলীগের  মনোনয়ন প্রত্যাশী ও পৌর সভার নির্বাচনে আসছেন বলে জানান।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি প্রার্থী ঘোষণার পর শরীক দলগুলি সঙ্গত কারণেই তাদের সমর্থন করবেন । সর্মথন না করলেও তেমন প্রভাব পড়বে না নির্বাচনে।কারণ অনেক দল অস্তিত্বহীন । জোটগত কারণে জামায়াত বিএনপিকে সমর্থন করবে। জাতীয় পার্টি , কমিউনিস্ট পার্টি। জোটগত কারণে প্রধান শরীক দলের প্রার্থীদের সমর্থন দিবেই এমন ধারনা রয়েছে প্রধান শরীক দুই দলের। ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী রাজিয়া সুলতানা ও জাসদের আমির হোসেন আমু ১৪ দলের মনোনয়ন প্রত্যাশা করলেও আওয়ামী লীগ তাদের কখনই সর্মথন করবে না এমন ধারনা সচেতন মহলে । সব মিলিয়ে আগামী পৌরসভা নির্বাচন কেমন হবে ? দলীয় প্রার্থী কে-কে হবেন? বিদ্রোহী প্রার্থীসহ কত জন প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী নির্বাচনে আসছে ? নানা জিজ্ঞাসা পৌর বাসীর

শেয়ার করুন
1 মন্তব্য

1 মন্তব্য

Mizan sarker September 13, 2020 - 10:28 am

One man show not needed.com to new who remakebetter to better for my nalitabari…service 100% for all

উত্তর

মতামত দিন

Related Articles