টিকা না আসা পর্যন্ত মাস্ক টিকার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হবেঃ মেয়র ইকরামুল হক টিটু

দ্বারা hello@anbnews24.com
টিকা না আসা পর্যন্ত মাস্ক টিকার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার হবেঃ মেয়র ইকরামুল হক টিটু

রবীন্দ্র নাথ পাল , ময়মনসিংহ ব্যুরোঃ   ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু বলেন,করোনার টিকা না আসা পর্যন্ত মাস্ক টিকার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। করোনার শুরুতে আমরা বিভ্রান্ত ছিলাম। অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা ভালো আছি। আগামীতেও ভালো থাকতে চাই। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সম্পর্কে গত ১ নভেম্বর থেকে আমরা বিভিন্ন সেক্টরের সাথে আলোচনা করছি।আমরা যেন ব্যবহৃত মাক্স যত্রতত্র ফেলে মহামারী করোনার বিস্তার না করি। করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নাকি প্রথমের চেয়েও ভয়ংকর হবে।তাই সবাইকে অবশ্যই মাক্স ব্যবহার করতে হবে। এখন যারা করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তাদের নানা উপস্বর্গে আক্রান্ত হচ্ছেন। সুতরাং মাক্স ব্যবহারের বিকল্প নেই। ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্য বলেন,অনুমোদন বিহীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী যেন কেউ বিক্রি করতে না পারে, সেদিকে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।

আজ ২০ নভেম্বর(শুক্রবার) সকালে সিটি কর্পোরেশনের শহীদ শাহাবুদ্দিন মিলনায়তনে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় ব্যবসায়ীদের করনীয় বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেয়র টিটু একথা বলেন।

ময়মনসিংহ চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন,চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীম, সিআইপি। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মোঃমিজানুর রহমান,পুলিশ সুপার মোঃ আহমার উজ্জামান। সভা পরিচালনা করেন চেম্বারের সহ সভাপতি শংকর সাহা। সভায় চেম্বারের অধীন ৪৪ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি মেয়র ইকরামুল হক টিটু আরও বলেন, ২২ নভেম্বর টাউনহলে  কর্পোরেশন ৩  টি ওয়ার্ডের মাঝে মাস্ক বিতরন করা হবে।

বিশেষ অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ মিজানুর রহমান বলেন,আইন চাপিয়ে দেবার বিষয় নয়। আমরা সবাই যদি সঠিক ভাবে দায়িত্ব পালন করি, তবে প্রথম ঢেউ যেভাবে মোকাবিলা করেছি,সেভাবে দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলা করতে হবে। প্রতিটি মার্কেটে টিম গঠন করে নো মাক্স, নো সেবা বাস্তবায়ন করতে হবে। প্রয়োজনে আপনারা মাস্ক সরবরাহ করবেন। কোন সভা সমাবেশ হবে না। আগামী ৬ মাস খুবই ভয়ংকর। ২৯ নভেম্বর থেকে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। তার আগে মাস্ক ব্যবহারে ব্যাপক জন সচেতনতা সৃষ্টি করা হবে।

পুলিশ সুপার মোঃ আহমার উজ্জামান বিপিএম বলেন, করোনায় বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত হলেও আমাদের ব্যবসায়ীরা দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে যথেষ্ট অবদান রেখেছেন। গত এক সপ্তাহ ধরে আমরা সচেতনতা সৃষ্টির জন্য প্রচারনা চালাচ্ছি। সবার জন্য আইন সমানভাবে প্রয়োগের চেষ্টা করেছি। মাক্স না পড়লে জেল জরিমানা করা হবে বলে মানুষকে সচেতন করছি। বিকল্প ব্যবস্থা না করে যান বাহনে অতিরিক্ত যাত্রী বহন বন্ধ করা যাচ্ছেনা।

সভাপতির বক্তব্যে চেম্বারের সভাপতি আমিনুল হক শামীম বলেন,করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আরও শক্তিশালী রুপে আবির্ভাব হতে পারে। প্রতিটি গাড়ীতে মাস্ক বাধ্যতামুলক করা হবে। মাস্ক সঠিকভাবে নাক মুখ ঢেকে রাখতে হবে। কাল শনিবার থেকে গাঙ্গিনারপাড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে মাস্কবিহীনদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে হুশিয়ারী দিয়ে বলেন,স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাত ধোঁয়া, মাস্ক ব্যবহার ও হ্যান্ড সেনিটাইজার দিয়ে হাত জীবানু মুক্ত করতে হবে। সভায় বিভিন্ন সংগঠনের কর্মকর্তারা বক্তব্য রাখেন।

 

শেয়ার করুন
0 মন্তব্য

মতামত দিন

Related Articles