সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছে নাটোরের নলডাঙ্গার কৃষকেরা

দ্বারা hello@anbnews24.com
সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছে নাটোরের নলডাঙ্গার কৃষকেরা
হুমায়ুন রশিদ, ব্যুরো প্রধান নাটোরঃ সোনালী আঁশে স্বপ্ন পূরণের আশা দেখছেন নাটোরের কৃষকরা। নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বিভিন্ন সড়কে চলাচলের সময় চোখে পড়ছে,পাটচাষী ও শ্রমিকরা ব্যস্থ সময় পার করছে,পাটের আঁশ ছাড়ানোর কাজে। আর এই সোনালী আঁশ কৃষককে দিচ্ছে,সোনালী স্বপ্ন পূরনের বার্তা।
ইতিমধ্যে হাট-বাজারে উঠতে শুরু করেছে পাট। কৃষকেরাও পাচ্ছে ভালো দাম। উপজেলার পশ্চিম মাধনগরের বাসিন্দা আব্দুল আজিজ জানান,এবার তিনি ৫ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। প্রতি বিঘা জমিতে সব মিলিয়ে প্রায় ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তবে পাটের ফলনও ভালো হয়েছে এবং প্রাথমিক অবস্থায় বাজারে পাটের দামও ভালো পাচ্ছেন। মন প্রতি ৩২শ থেকে ৩৫শ টাকা পর্যন্ত দাম পেয়েছেন তিনি। একই কথা জানালেন উপজেলার ব্রহ্মপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল হোসেন তিনি বলেন ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। পোকামাকড় বা প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগে হ্মতিও হয়নি,যার কারনে ফলনও ভালো হয়েছে।
সোনালী আঁশ সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছে নাটোরের নলডাঙ্গার কৃষকেরা

তবে পাটের ফলনও ভালো হয়েছে এবং প্রাথমিক অবস্থায় বাজারে পাটের দামও ভালো পাচ্ছেন। মন প্রতি ৩২শ থেকে ৩৫শ টাকা পর্যন্ত দাম পেয়েছেন তিনি। একই কথা জানালেন উপজেলার ব্রহ্মপুর ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের কৃষক উজ্জ্বল হোসেন তিনি বলেন ৪ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। পোকামাকড় বা প্রাকৃতিক কোন দুর্যোগে হ্মতিও হয়নি,যার কারনে ফলনও ভালো হয়েছে। তবে গতবার বন্যার কারণে বেশ হ্মতি হয়েছিল বলে জনান তিনি। স্থানীয় আড়ৎদার মেসার্স হাবিবা ট্রেডার্সের মালিক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান জানান,বাজারে পাট উঠতে শুরু হয়েছে,তিনি মন প্রতি ৩২শ-৩৫শ টাকা দরে প্রায় ১০০মন পাট ক্রয় করেছেন এবং এগুলো মন প্রতি ৩৭শ-৩৮শ টাকা দরে খুলনা,যশোর,মাদারীপুর, ফরিদপুরসহ বিভিন্ন জেলার জুট মিলে পাঠান তিনি। আরেক আড়ৎদার মেসার্স সুমন বাণিজ্যলয়ের মালিক মোঃ কাজী সুমন জানান,বর্তমান বাজারে তিনি মন প্রতি ৩২শ-৩৫শ দরে পাট কিনছেন। তবে তিনি মন প্রতি ২০-৫০ টাকা কমিশন বিভিন্ন পাট মিলে এসব পাট সরবরাহ করে থাকেন। এ বিষয়ে নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকতা ফৌজিয়া ফেরদৌস বলেন,পাটের সেই সোনালী দিন ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি এবং কৃষকেরাও উৎসাহিত হচ্ছে। যার কারনে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উপজেলায় যেখানে ১৫৬৫ হেক্টর জমিতে উৎপাদন হয়েছিল। সেখানে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে ১৮১০ হেক্টর জমিতে পাট উৎপাদন হয়েছে। এ বিষয়ে নাটোর পাট অধিদপ্তরের পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জাকির হোসেন জুয়েল জানান,পাটের সুদিন ফিরিয়ে আনতে আমরা বদ্ধ পরিকর। তিনি জানান,আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তিতে পাট ও পাট বীজ উৎপাদন ও সম্প্রসারনের লক্ষ্যে নাটোর সদর এবং নলডাঙ্গা উপজেলায় ১২০০ কৃষকের প্রত্যককে ১২ কেজি করে সার ও ১ কেজি করে উন্নত পাটের বীজ প্রদান করা হয়েছে।

শেয়ার করুন
0 মন্তব্য

মতামত দিন

Related Articles